সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
গত ৭-৯ ফেব্রম্নয়ারি ঢাকাতে দেশের প্রথম ই-বাণিজ্য মেলা সফল ভাবে সম্পন্ন করার পর আগামী ৪ এপ্রিল বৃহষ্পতিবার থেকে সিলেটে শুরম্ন হচ্ছে দেশের দ্বিতীয় ই-বাণিজ্য মেলা ও ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা। ‘ঘরে বসে কেনাকাটার উৎসব’ শেস্নাগান নিয়ে আয়োজিত এ মেলা সিলেট স্টেডিয়াম সংলগ্ন মোহাম্মদ আলী জিমনেশিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ও সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের পৃষ্ঠপোষকতায় ডিজিটাল বাংলাদেশ বির্নিমানে সহায়ক ‘সিলেট ই-বাণিজ্য মেলা ২০১৩ ও ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা’ এর আয়োজক সিলেট জেলা প্রশাসন ও মাসিক ‘কমপিউটার জগৎ’। মেলাটি ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শুভ উদ্বোধন করবেন মাননীয় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

মেলা উপলক্ষে ৩০ মার্চ  সকাল ১০ টায় বাংলাদেশ কমপিউটার কাউন্সিল সভাকক্ষ এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এছাড়া মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে মেলার বিসত্মারিত বিষয়বস্ত্ত উপস্থাপন করেন ই-বাণিজ্য মেলার আহবায়ক আয়োজক প্রতিষ্ঠান কমপিউটার জগৎ-এর কারিগরি সম্পাদক ও কমজগৎ টেকনোলজিসের প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহেদ তমাল। বক্তব্য রাখেন মেলার পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরম্নল ইসলাম খান (এন আই খান)। এছাড়া বক্তব্য রাখেন কমপিউটার জগৎ-এর সহকারি সম্পাদক এম. এ. হক অনু, এসএসএল ওয়্যারলেস এর চীফ অপারেটিং অফিসার আনিসুল ইসলাম এবং মেলার সমন্বয়কারী মোহাম্মদ এহ্তেশাম উদ্দিন মাসুম।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযু্ক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরম্নল ইসলাম খান বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় মানুষ এখন ঘরে বসেই সব কিছু পেতে চায়। আর এই কাজটিকে সহজ করেছে ই-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানগুলো। দেশে ই-বাণিজ্যকে সম্প্রসারণ করতে ই-বাণিজ্য মেলা গুরম্নত্বপূর্ণ ভহমিকা পালন করছে। তাই এই মেলাকে বাংলাদেশের বিভাগীয় পর্যায়ের পর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ও ছড়িয়ে দিতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযু্ক্তি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (প্রশাসন) শুশান্ত কুমার শাহা বলেন, সিলেট বাংলাদেশের একটি অন্যতম জেলা। অনেকে প্রবাসে বসবাস করছেন। এই বাণিজ্য মেলা প্রবাসীদের অন-লাইনে ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে  আগ্রহী করবে। প্রবাসী বিদেশ থেকে তার প্রিয়জনদের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য থেকে শুরম্ন করে বিভিন্ন উপহার কিনে দিতে পারবেন।

বাংলাদেশ কমপিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক এস এম আশফাক হোসেন বলেন, ই-বাণিজ্যমেলা যেহেতু তথ্য ও যোগাযোগ প্রযু্ক্তি মন্ত্রণালয় পৃষ্ঠপোষক করছে, সেহেতু বাংলাদেশ কমপিউটার কাউন্সিলও সবসময় এই উদ্যোগ ও মেলাকে সহযোগিতা করবে। তিনি আরো বলেন, এখনি সময় ই-কমার্স ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করে তোলা।

মেলার আহবায়ক মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহেদ তমাল বলেন, দেশে ই-কমার্স সম্পর্কে জনসচতেনতা সৃষ্টির লক্ষে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। গত ফেব্রম্নয়ারিতে ঢাকায় দেশের প্রথম ই-বাণিজ্য মেলা সফল ভাবে সম্পন্ন হওয়ায়, কমপিউটার জগৎ ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এই মেলাটি পর্যায়ক্রমে ৬টি বিভাগে করার সিদ্ধান্ত নেয়। তারই অংশ হিসেবে সিলেটে দেশের দ্বিতীয় ই-বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তিনদিনব্যাপি এই মেলায় ই-কমার্সের সঙ্গে জড়িত দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য ও সেবা সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরবে। মেলায় মোট ৪৫টি স্টলসহ ৪৫টি প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শন করবে। মেলা উপলক্ষে পণ্য ও সেবা ক্রেতাদের জন্য বিশেষ সুযোগ যেমন থাকবে, তেমনি এ বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে বিভিন্ন ধরণের আয়োজন রয়েছে।

এ সময় আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ই-বাণিজ্য মেলার প্লাটিনাম স্পন্সর হিসেবে রয়েছে অনলাইন পেমেন্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান এসএসএল কমার্জ ও কমজগৎ টেকনোলজিস । গোল্ড স্পন্সর হিসেবে রয়েছে ই-সুফিয়ানা ও সিজে সফট। মেলার ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট করছে অর্পণ কমিউনিকেশন লিমিটেড।

উলেস্নখ্য যে, তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এর সহযোগীতায়, SSL Wireless নিয়ে এসেছে apps2play.mobi। এটি বাংলাদেশের প্রথম প্লাটফর্ম যা দেশের তরম্নন প্রজন্মকে মোবাইল উপযোগী অ্যাপ্লিকেশন তৈরী এবং বাজারজাতকরণের সুযোগ করে দেবে। এর মাধ্যমে গ্রাহক খুব সহজে মোবাইল টক-টাইম অথবা ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড ব্যাবহার করে প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যাপ্লিকেশন কিনতে পারবেন। তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের সচিব জনাব নজরম্নল ইসলাম খান ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বিশেষ প্লাটফর্ম তৈরী করায় এস.এস.এল ওয়্যারলেসকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন ’এই প্লাটফর্মের মাধ্যমে নিঃসন্দেহে সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরীর প্রচেষ্টাকে একধাপ ত্বরান্বিত করেছে।’

অ্যাপ্লিকেশনটি সম্পর্কে প্রতিষ্ঠানটির চীফ অপারেটিং অফিসার আনিসুল ইসলাম বলেনু, যদিও আমরা মূলত একটি প্রযুক্তিনির্ভও প্রতিষ্ঠান, যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে দ্রুত এবং সর্বদা পরিবর্তনশীল টেলিযোগাযোগ শিল্পের  সঙ্গে তালমিলিয়ে বিভিন্ন সেবা প্রদান করা। apps2play.mobi এর মাধ্যমে স্থানীয়  প্রোগামাররা তাদের প্রোগ্রামগুলোকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রকাশ করতে পারবেন। একই সঙ্গে এই প্লাটফর্মের মাধ্যমে মোবাইল গ্রাহকদের অ্যাপ্লিকেশন ক্রয়ের উপর ভিত্তি করে আয় করার এক নতুন পথ উন্মোচিত হবে। যা কিনা প্রথাগত পেস্ন-ষ্টোরগুলোর বর্তমান অবকাঠামোর মাধ্যমে করতে গেলে বড় আকারের বিনিয়োগের প্রয়োজন হত। আমাদেও এই উদ্ভাবনের দ্বারা মোবাইল ব্যাবহারকারীদো জন্য বিভিন্ন সফটওয়্যার সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সমাধান সাধ্যের ভেতরে চলে আসবে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় গুরম্নত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

এ ছাড়া পার্টনার হিসেবে এখনি ডটকম, ক্রিয়েটিভ পার্টনার হিসেবে ক্রিয়েটিভ আইটি লিমিটেড, গেমিং জোন পার্টনার হিসেবে এএমডি গিগাবাইট, নলেজ পার্টনার হিসেবে বিডিওএসএন, কমিউনিকেশন পার্টনার হিসেবে সফটকল, বস্নগ পার্টনার হিসেবে সামহোয়্যার ইন বস্নগ ও ওয়েব পার্টনার হিসেবে বাংলানিউজ২৪ ডটকম।
তিন দিনের এ মেলায় অংশ নিচ্ছে এসএসএল কমার্জ, ই-সুফিয়ানা, কমজগৎ টেকনোলজিস, এখনি ডটকম, বগুড়ার দই, রূপকথার জামদানি, জেডকাইট৯, টি-জোন, ওঅনলাইনশপ, অ্যাট২ক্লিকস, বিডিহাট, আপনজোন, ওয়েবশহর (সিটিসেল), অ্যারামেক্স ঢাকা লিমিটেড, জোন ৮৩, বাংলাদেশ পোস্ট অফিস, শাম্মা’স মেহেদী আর্টসহ ঢাকা ও সিলেটের ই-বাণিজ্য ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবাদাতা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার পক্ষ থেকে সিলেট জেলা ই-সেবা কেন্দ্র ও সিলেট সদর, দক্ষিণসুরমা, গোলাপগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, জকিগঞ্জ, কানাইঘাট, জৈমত্মাপুর, গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ, বিশ্বনাথ, বালাগঞ্জ ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্রগুলো অংশগ্রহণ করবে।

আয়োজকেরা জানান, এবারের মেলাকে সহজে তরম্নণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগের সাইট ফেসবুকের মাধ্যমে মেলার বিভিন্ন আপডেট প্রকাশ করা হচ্ছে। আপডেট পেতে www.facebook.com/ECommerceFair ঠিকানার পেজ লাইক করতে হবে। এ ছাড়া মেলার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.e-commercefair.com থেকেও জানা যাবে প্রয়োজনীয় তথ্য।

তিন দিনব্যাপী এ মেলার অনুষ্ঠানাদি www.comjagat.com ওয়েবসাইটে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টায় শুরম্ন হয়ে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে। মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। হ্রাসকৃত মূল্যে বিভিন্ন পণ্য কেনা যাবে।

এক নজরে সিলেট ই-বাণিজ্য মেলা-২০১৩
স্লোগান    : ঘরে বসে কেনাকাটার উৎসব
স্থান  :  সিলেট জিমনেশিয়াম
তারিখ ও সময়  :  ৪-৬ এপ্রিল ২০১৩, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত
আয়োজক :   কমপিউটার জগৎ ও সিলেট জেলা প্রশাসন
পৃষ্ঠপোষকতায়  :  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ও সিলেট বিভাগীয় কমিশনার
প্লাটিনাম স্পন্সর  :  এসএসএল কমার্জ ও কমজগৎ টেকনোলজিস
গোল্ড স্পন্সর :   ই-সুফিয়ানা ও সিজে সফট
ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট :   অর্পণ কমিউনিকেশন লি:
পার্টনার    ক্রিয়েটিভ পার্টনার : ক্রিয়েটিভ আইটি লিমিটেড,
গেমিং জোন পার্টনার : গিগাবাইট, এএমডি
নলেজ পার্টনার : বিডিওএসএন,
কমিউনিকেশন পার্টনার : সফটকল,
ব্লগ পার্টনার : সামহোয়্যার ইন ব্লগ ও
ওয়েব পার্টনার : বাংলানিউজ২৪ ডটকম।

ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা পক্ষ থেকে অংশগ্রহনকারী    সিলেট জেলা ই-সেবা কেন্দ্র, ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র – সিলেট সদর, দক্ষিণসুরমা, গোলাপগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, জকিগঞ্জ, কানাইঘাট, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ, বিশ্বনাথ, বালাগঞ্জ

অংশ গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান   :  ৪৫ টি
প্রবেশ :    সবার জন্য উন্মুক্ত

বার্তা প্রেরক
মোহাম্মদ এহ্তেশাম উদ্দিন মাসুম
সমন্বয়কারী
সিলেট ই-বাণিজ্য মেলা ২০১৩
মোবাইল : ০১৬৭০২২৩১৮৭
e-mail : expo@comjagat.com

বর্তমানে আউটসোর্সিং বেশ জনপ্রিয় তরুণদের মধ্যে। আউটসোর্সিং এর কাজ করতে বেশ কিছু বিষয় জানা জরুরী। আউটসোর্সিংয়ের এমন সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে "আউটসোর্সিং: শুরুটা যেভাবে এবং শুরু করার পর" বইটি। বইটি লিখেছেন মো. আমিনুর রহমান। ১৯ অধ্যায়ের বইটিতে পূর্ণাঙ্গভাবে আউটসোর্সিংয়ের বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। রয়েছে প্রয়োজনীয় ছবি। অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৩-তে বইটি প্রকাশিত হয়েছে।

ঘরে বসে বইটি পেতে: http://www.rokomari.com/book/61910


বইটি সম্পর্কে লেখকের বক্তব্য:
গত বছরের শুরুতে ‘আউটসোর্সিং: শুরুটা যেভাবে’ শিরোনামে আমার এই লেখাগুলো প্রথম আলোর কম্পিউটার প্রতিদিন বিভাগে ধারাবাহিক ভাবে ছাপা হয়েছিল। তখন বিপুল পরিমাণ পাঠকের সাড়া পেয়েছিলাম। অনেক পাঠক অনুরোধ করেছিল লেখাগুলো বই আকারে বের করার জন্য। কিন্তু সময় স্বল্পতার জন্য তখন আর বই বের করা হলো না। তারপর থেকেই প্রস্তুতি শুরু। তার সাথে নতুন আরও অনেক কিছু যোগ করে এবং আরও বিস্তারিত ভাবে এই বইটি লেখার চেষ্টা করেছি। এই বইটি পড়ে জানতে পারবেন আউটসোর্সিং শুরু করতে হবে কীভাবে, কোথায় কাজ পাওয়া যাবে, কোন কাজের কী যোগ্যতা লাগে, কীভাবে ওডেস্কে অ্যাকাউন্ট খুলবেন, কীভাবে জবে আবেদন করবেন, ইন্টারভিউ হয় কীভাবে, অর্থ উত্তোলন করবেন কীভাবে, কীভাবে কোম্পানি দিবেন, কোম্পানির পেমেন্ট মেথড ভেরিফাই করবেন, কনট্রাকটরকে হায়ার করবেন কীভাবে, কনট্রাকটরকে পেমেন্ট দিবেন কোথায় থেকে, সমস্যার সমাধান পাবেন কোথায়, সহজে কাজ পাওয়ার কিছু টিপস, ফ্রিল্যান্সিং সাইট চিনবার উপায় এবং কয়েকজন ফ্রিল্যান্সারের সফলতার গল্প।

বইটির ভূমিকায় লেখক বলেন:
আউটসোর্সিং শব্দটি হয়তো শুনেছেন। আউটসোর্সিং করে অনেকে লাখ লাখ টাকা আয় করে এ কথাও হয়তো শুনেছেন। কিন্তু বিষয়টি কী, কীভাবে, কী করতে হয় এসব কিছুই জানেন না। এ বিষয়ে অভিজ্ঞ কারও কাছে জিজ্ঞেস করলেন, ‘ভাই, আউটসোর্সিং কী জিনিস? এর মাধ্যমে নাকি মাসে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করা যায়?’ আপনার সে ভাই উত্তর দিলেন, ‘কেউ কেউ এর চেয়েও বেশি ইনকাম করেন। আপনি কম্পিউটারের কী কী জানেন?’ আপনি উত্তর দিলেন, ‘আমি তেমন কিছুই জানি না। এমএস ওয়ার্ড জানি, ফেসবুকে আমার একটা অ্যাকাউন্ট আছে, কম্পিউটারের প্রাথমিক জ্ঞান আছে এই আর কি?’ আপনার সে ভাই জানালেন, ‘আপনি কি মনে করেছেন ডলার ইনকাম করা এতোই সোজা? এখানে সারা বিশ্বের প্রোগ্রামারদের সাথে কম্পিটিশন দিয়ে জবে বিড করে কাজ পেতে হয়। আপনি যতটা সহজ ভাবছেন ততটা সহজ না।’ এ কথা শুনে আউটসোর্সিংয়ের প্রতি আপনার আগ্রহই নষ্ট হয়ে গেল, স্বপ্নটাও মরে গেল। আপনার ওই ভাই যদিও সত্যি কথাই বলেছেন তবু আপনার প্রশ্নের উত্তর এমনও হতে পারত, ‘আপনি কোনো আউটসোর্সিং সাইটে অ্যাকাউন্ট খুলে দেখতে পারেন। ওখানে ফেসবুকের বেশ কিছু কাজ পাওয়া যায়। যেমন ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়া, ফেসবুকের ফ্যান পেইজে লাইক সংগ্রহ করে দেওয়া, ডেটা এন্ট্রিরও অনেক কাজ আছে। আপনি অল্প রেটে আবেদন করলে সহজেই কাজ পেয়ে যেতে পারেন। আপনি হয়তো শুরুতে বেশি ইনকাম করতে পারবেন না, তবে চেষ্টা চালিয়ে গেলে ধীরে ধীরে আপনার ইনকাম বাড়বে। তখন আপনি নিজেই বুঝে যাবেন কীভাবে, কী করতে হবে?’ এ ধরনের উত্তর শুনে আপনি অনেক উৎসাহিত হবেন।

এই বইয়ে আমি যতটুকু সম্ভব আউটসোর্সিং বিষয়টিকে সহজভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি। বইটি পড়ে যদি পাঠকেরা উপকৃত হয় তাহলেই আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।

সূচিপত্র 
আউটসোর্সিং
যে ধরনের কাজ পাওয়া যায়
কোন কাজের কী যোগ্যতা?
কাজ পাবেন যেখানে
কীভাবে ওডেস্কে অ্যাকাউন্ট খুলবেন?
কীভাবে জব খুঁজবেন?
কীভাবে জবে আবেদন করবেন?
ইন্টারভিউ নেয় কীভাবে?
কীভাবে জব করবেন?
কীভাবে অর্থ উত্তোলন করবেন?
ওডেস্কে কোম্পানি দেবেন কীভাবে?
কীভাবে কোম্পানির পেমেন্ট মেথড ভেরিফাই করবেন?
কীভাবে জব পোস্ট করবেন?
কনট্রাকটরকে হায়ার করবেন যেভাবে
কনট্রাকটরকে পেমেন্ট দেবেন কোথা থেকে?
সমস্যার সমাধান পাবেন যেখানে
সহজে কাজ পাওয়ার কিছু টিপস
ফ্রিল্যান্সিং সাইট চেনার উপায়
সফলতার গল্প

লেখক পরিচিতি 
মো. আমিনুর রহমান। লেখাপড়া করেছেন সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে। বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয়বর্ষে পড়ার সময় থেকেই প্রথম আলোর কম্পিউটার প্রতিদিন বিভাগে লেখালেখি শুরু করেন, চলছে এখনো। তৃতীয়বর্ষে পড়ার সময় ডাক্তারদের জন্য তৈরি করেন ডক্টর প্রেসক্রিপশন নামের একটি সফ্টওয়্যার। সেটি নিয়ে ১৮-০৭-২০০৮ তারিখ প্রথম আলোর প্রজন্ম ডটকমে এবং ২১-০৭-২০০৮ তারিখ দৈনিক ইনকিলাবে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। কয়েকজন ডাক্তার এখনো এই সফ্টওয়্যারটি ব্যবহার করছেন। চতুর্থবর্ষে পড়ার সময় তৈরি করেন এসএমএসে টিকেট কাটার সফ্টওয়্যার। ২৩-১০-২০০৯ তারিখ প্রথম আলোর প্রজন্ম ডটকমে সেটি নিয়েও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তার মাস ছয়েক পর মোবাইল কোম্পানিগুলো এই ধরনের একটি সফ্টওয়্যার তৈরি করে ট্রেনের টিকেট কাটার জন্য ব্যবহার করেন।

গত বছরের শুরুতে ‘আউটসোর্সিং: শুরুটা যেভাবে’ শিরোনামে লেখকের এই লেখাগুলো প্রথম আলোর কম্পিউটার প্রতিদিন বিভাগে ধারাবাহিক ভাবে ছাপা হয়েছিল। অনেকটা শখের বসেই লেখালেখি করেন। পেশা তাঁর আউটসোর্সিং। ভালোবাসেন সমরেশ মজুমদার এবং সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বই পড়তে, সিনেমা দেখতে, আনিসুল হকের লেখা নাটক দেখতে এবং মুহম্মদ জাফর ইকবালের লেখা কলাম পড়তে।


ইল্যান্সের কয়েকটি বিশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য:



  • মেম্বারশিপ প্লান: কনট্রাক্টরদের চাহিদা অনুযায়ী ELance-এ রয়েছে চার ধরনের মেম্বারশিপ প্লান। এই ফিচারটি অন্য ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে নিঃসন্দেহে ভালো। প্রত্যেক কনট্রাক্টর অযথা বিড করা থেকে বিরত থাকে কানেক্ট হারানোর ভয়ে, তাই বিডও কম জমা হয় এবং ক্লায়েন্টও সবগুলো প্রপোজাল অন্তত ১ বার করে পড়তে পারে।
  •  কানেক্ট (Connect): একজন কনট্রাক্টর প্রতি মাসে সর্বোচ্চ কতটি বিড করতে পারবে সেই সংখ্যাকে এই ওয়েবসাইটে কানেক্ট হিসেবে উল্লেখ করা হয় এই সংখ্যাটির পরিমাণ মেম্বারশিপ প্লানের উপর নির্ভর করেBasic (Free) মেম্বাররা প্রতি মাসে ১৫ টি করে কানেক্ট পাবেন যা দিয়ে সর্বোচ্চ ১৫টি প্রজেক্টে বিড করতে পারেন৫০০ ডলারের নিচের প্রজেক্টে বিড করতে ১টি কানেক্ট, ৫০০ থেকে ১০০০ ডলারের প্রজেক্টে ২টি কানেক্ট এবং ১০০০ ডলারের প্রজেক্ট বিড করতে ৪টি কানেক্টের প্রয়োজন হয়Individual , Small Business, Large Business মেম্বার ইচ্ছে করলে অর্থের বিনিময়ে আরো অতিরিক্ত কানেক্ট অর্জন করতে পারেনএজন্য প্রতি ১০টি কানেক্টের জন্য ৫ ডলার সাইটকে প্রদান করতে হয়
  • প্রজেক্টের সর্বনিম্ন প্রপোজাল মূল্য: একটি প্রজেক্টে একজন কনট্রাক্টর সর্বনিম্ন কত মূল্যে করার জন্য প্রস্তাব (Proposal) বা বিড করতে পারবে তা নির্ভর করে ওই প্রজেক্টের বাজেটের উপর ৫০০ ডলারের কম মূল্যের প্রজেক্টে সর্বনিম্ন ৫০ ডলার প্রস্তাব করা যায়৫০০ থেকে ১০০০ ডলারের প্রজেক্টে সর্বনিম্ন প্রস্তাব মূল্য হচ্ছে ৩০০ ডলারআর ১০০০ ডলারের অধিক বাজেটের ক্ষেত্রে এই পরিমাণ হচ্ছে ৭০০ ডলার
  • গ্যারান্টেড পেমেন্টঃ ELance-এ দুই ধরনের (Hourly Fixed Price) কাজের ক্ষেত্রে রয়েছে  নিশ্চিত টাকা পাওয়ার সুযোগ। Hourly কাজের ক্ষেত্রে ELance Tracker Fixed Price কাজের ক্ষেত্রে Escrow সিস্টেম কাজ শেষে টাকা পাওয়ার নিশ্চয়তা দেয়। উল্লেখ্য Hourly কাজে ELance Tracker দিয়ে ট্র্যাককৃত সময় প্রতি সপ্তাহ শেষে ক্লায়েন্টের কাছে পাঠানো যায়। কোন কারনে পাঠাতে না পারলেও প্রতি সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় ক্লায়েন্টের কাছে অটো চলে যায়। তাই অতিরিক্ত সময় যোগ-বিয়োগ করতে হলে এই সময়ের ভিতরে করতে হবে। ক্লায়েন্টে চাইলে তৎক্ষনাৎ পেমেন্ট করতে পারে আবার না করলেও  ১ সপ্তাহ পর অটো বিলিং হয়।
  • সাপোর্ট সিস্টেম ও হেল্প সেন্টারঃ কাজ, পেমেন্ট বা অন্য কিছু নিয়ে ক্লায়েন্টের সাথে কোন হেরফের বা মতওনৈক্য থাকলে  ইল্যান্স সাপোর্ট টিম খুবই সহায়তা করে, অন্য সাইটগুলো যেখানে  ক্লায়েন্টে ফ্রেন্ডলি ELance সেখানে কনট্রাক্টরদের কথা বেশি  গুরুত্ব দেয়। তবে সেক্ষত্রে কনট্রাক্টরকে অবশ্যই সৎ থাকতে হবে, কনট্রাক্টরের কাজ ও কথার মিল থাকলে ক্লায়েন্টকে উল্টো নোটিশ দেয়া হয় তার আচরণ ঠিক করার জন্য। তাছাড়া  ইল্যান্স ইউনিভার্সিটি নামক একটি হেল্প সেন্টার যা নতুন এবং অভিজ্ঞ সকল ধরনের ফ্রিল্যান্সরদেরকে বিভিন্ন ধরনের তথ্য দিয়ে সাহায্য করে থাকে আছে ভিডিও টিউটরিয়ালের মাধ্যমে কিভাবে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়া যায় তার বিস্তারিত বর্ণনা

উপরোক্ত কয়েকটি বৈশিষ্ট্য ও অন্যান্য কারনে ELance  কনট্রাক্টর ও ক্লায়েন্ট উভয়ের কাছে সমাদৃত। জুলাই, ২০১২ পযর্ন্ত  ELance  এ রেজিষ্ট্রেশন করেছেন ৫৮১,০২০ জন কনট্রাক্টর (এর মধ্যে বাংলাদেশী কনট্রাক্টরদের সংখ্যা ১২, ৭৫৩ জন) এবং প্রতি মাসে গড়ে ৭০ হাজার কাজ পোস্ট হয় সকল ক্যাটাগরিতে।

বিভিন্ন ধরনের মেম্বারশিপ প্লান: 

ফ্রিল্যান্সার কনট্রাক্টর হিসেবে এই সাইট থেকে আপনি কি পরিমাণে সুবিধা নিতে চান সে অনুযায়ী একটি প্লান বেছে নিতে হবে রেজিষ্ট্রেশন করার পর যে কোন সময় এই সুবিধাগুলো আপনি আপগ্রেড করতে পারেন নিচে বিভিন্ন প্লানের বৈশিষ্ট্য এবং পার্থক্যগুলো উল্লেখ করা হল



Basic
Individual
Small Business
Large Business
প্রোপোজাল লিমিট (Connects)
প্রতিমাসে সর্বোচ্চ বিড করার সংখ্যাঃ
১৫টি
৩০টি
৪০টি
৬০টি
প্রোফাইল কীওয়ার্ডঃ
৫টি
১০টি
১৫টি
২০টি
সদস্য সংখ্যাঃ
১জন
১জন
৫জন
অনিদির্ষ্ট
স্টোরেজ (প্রতি ওয়ার্করুমে)ঃ
৫০০ মেগাবাইট
১ গিগাবাইট
১ গিগাবাইট
২ গিগাবাইট
একাধিক ক্যাটাগরিতে যোগ দেয়াঃ
যায় না
যায়
যায়
যায়
সার্চ রেজাল্টে নিজের ইচ্ছা মত প্লেসমেন্টঃ
নেই
আছে
আছে
আছে
প্রতি সপ্তাহ শেষে নিদিষ্ট ক্যাটাগরিতে আপনার অবস্থানঃ
সংক্ষিপ্ত বণর্না
বিস্তৃত বণর্না
বিস্তৃত বণর্না
বিস্তৃত বণর্না
মাসিক ফিঃ
ফ্রি
১০ডলার
২০ডলার
৪০ডলার
প্রজেক্ট প্রতি কমিশনঃ
.৭৫% - .৭৫%

 


সকল মেম্বারশিপের ক্ষেত্রে একই সুবিধাগুলো নিম্নরূপঃ

Ø  প্রতিমাসে একবার বিনামূল্যে ওয়্যার ট্রান্সফার পদ্ধতিতে অর্থ উত্তোলন
Ø  পোটর্ফলিও যোগ করা।
Ø  গ্যারান্টেড পেমেন্ট, অটোমেটিক বিলিং, সময় ও মাইলস্টোন ট্র্যাকিং। 

ELance-এ বাংলাদেশী কনট্রাক্টরদের সাফল্যঃ
 

নাম
কাজের ক্ষেত্র
লেভেল
বিগত ১২ মাসে কাজের সংখ্যা
Anna Novas Lab
আইফোন ও অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট
১২
৮৫টি
Ahmed J.
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
১১
১৪৭টি
Ideal Computers & Digital Studio
গ্রাফিক্স ডিজাইন
১১
৩০০টি
 


বিড উইনিং Proposal তৈরির কিছু কৌশলঃ



বিভিন্ন স্কিলে এক্সপার্টদের ELance-এ কাজ পাওয়া মোটেই কঠিন কিছু নয় আমি নিজেও প্রথম বিডেই কাজ পেয়েছিলাম। তাই কোন একটা বিষয়ে এক্সপার্ট হওয়ার আগে ELance নিয়ে অযথা চিন্তা বাদ দিন, নইলে সময় নষ্ট হবে! Proposal জমা দেয়ার আগে দেখে নিন আপনি ক্লায়েন্টের Requirement পূরণ করতে পারবেন কিনা। সংশ্লিষ্ট স্কিল গুলোতে টেস্ট দিয়ে না থাকলে আগে দিয়ে দিন তারপর Proposal জমা দিন। 
নিচে কিছু টিপস/পরামশ দেয়া আছে যেটা অনেক গবেষনার ফলঃ

১। প্রথমেই দেখে নিন ক্লায়েন্ট Proposal এর শুরুতে কোনকিছু লিখতে বলেছে কিনা। যেমনঃ
Please mention WordPress Expert top of your application to avoid being spammed.
এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই WordPress Expert কথাটি Proposal এর শুরুতে লিখতে হবে, নইলে ক্লায়েন্ট আপনার Proposal এর কোন কিছু না পড়েই আপানাকে অযোগ্য ঘোষণা করবে এবং আপনি আপনার মহামূল্যবান একটি কানেক্ট হারাবেন একমাসের জন্য।

২। এরপর দেখুন ক্লায়েন্টের পেমেন্ট মেথড ভেরিফাইড কিনা, না থাকলে তার ইউজারনেমের দিকে তাকান।
ক) ইউজারনেম থেকে তার নামের কিছু আভাস পেলে লিখুন Dear/Hi Username,
খ) ইউজারনেম থেকে তার নামের আভাস না পেলে লিখুন Dear Sir /Hiring Manage,
৩। ক্লায়েন্টের পেমেন্ট মেথড ভেরিফাইড থাকলে দেখুন এর আগে সে কোন এবং আগে কোনও কাজ করিয়েছে কিনা। কাজ করিয়ে থাকলে তার অন্য কাজের ফিডব্যাকগুলো দেখুন এবং সেগুলো থেকে তার নাম খুঁজে পাবেন, অনেক সময় অন্য কনট্রাক্টররা ক্লায়েন্টের নাম উল্লেখ করে থাকে তাদের দেয়া ফিডব্যাকে। নাম খুঁজে পেলে Dear/Hi এর পর তার নামের প্রথম অংশ লিখুন। নাম খুঁজে না পেলে উপরের ২ নং পন্থা অবলম্বন করুন।
৪। অনেক সময় আপনি আপনার Proposal এ কি লিখবেন তা খুঁজে পাবেন Job Description-ই! কায়েন্ট কি চায় তা বোঝুন আগে, তার চাওয়ার মধ্যে অনেক প্রশ্ন করার অপশন পাবেন। আপনি আপনার বুদ্ধি দিয়ে তাকে তার Project সম্মন্ধে প্রশ্ন করুন এক বা একাধিক। যেমনঃ কায়েন্ট যদি Job Description এ বলে সে একটি ওয়েবসাইট চায় WordPress প্লাটফর্মে এবং তার আরোও লেখা থাকবে অবশ্যই । আপনি নিচের মত কিছু প্রশ্ন করতে পারেন
1.  Have you selected your theme or I have to built it from scratch (from PSD)
2.  Do you have any list of website to follow, if any then please mention that & let me know what kind of features from it you need on your site?
3.  Do you need the site fully optimized for On Page SEO?

এই রকম কাজের জন্য এই প্রশ্নগুলো করলেই ক্লায়েন্ট বোঝবে আপনি তার কাজের জন্য উপযুক্ত এবং আপনার যথেষ্ট জ্ঞান আছে এই বিষয়ে যেহেতু আপনি প্রশ্ন করতে জানেন। যারা WordPress Expert তারা অবশ্যই বুঝবেন একটি WordPress ওয়েবসাইটের জন্য থিম সিলেকশন কতটুকু প্রয়োজন।

৫) উপরের অংশগুলো মিলিয়ে আপনার Proposal মোটামোটি তৈরি হয়ে যাবে, সবগুলো মিলালে এমন হয়
Words if the client want
Dear Sir/Name,
I have some questions to you please answer those questions so that I can understand you full requirement.
Your questions to client here.
৬) তারপর আপনার সম্মন্ধে কিছু লিখুন, আপনি কেন এই কাজ করতে পারবেন, আপনি যদি এর আগে আই রকম কাজ করে থাকেন তাহলে তার লিঙ্ক দিয়ে দিতে পারেন।
৭) আপনি অন্য মাকের্টপ্লেসে কাজ করে থাকেলে এবং Elance এ নতুন হলে ওই মাকের্টপ্লেসের প্রোফাইল লিঙ্ক অবশ্যই দিয়ে দিবেন। একথা বলছি কারন ইদানিং oDesk এবং Freelancer এর এক্সপার্টরা Elance এ যোগ দিচ্ছেন যেহেতু Elance এ প্রতিযোগিতাটা অন্য মাকের্টপ্লেস থেকে কম এবং কাজের মূল্যও বেশি।
৮) অযথা বার বার স্যার/ম্যাডাম ডেকে নিজেকে আনকোরা হিসেবে উপস্থাপন করবেন না। ভদ্রতার খাতিরে একবারই যথেষ্ট। কাকুতি মিনতি করে লাভ নেই, যত সংক্ষেপে এ গুছিয়ে লেখা যায় তার চেষ্টা করুন। লেখার সময় বানান গুলো ঠিক হচ্ছে কিনা ভালো করে খেয়াল করুন।

৯) অনেক ক্লায়েন্ট আবার একটি নিদিষ্ট সময়ে আপনাকে কাজ করতে বলবে তাই আপনি যদি রাজি হন তাহলে Proposal এ বলুন আপনি বাংলাদেশ থেকে হলেও US/UK/Clients Time এর সাথে মানিয়ে নিতে পারবেন এবং আপনি একদিনের জন্যেও ওই সময়ে অনুপস্থিত থাকবেন না। Data Entry, Virtual Assistant কাজের ক্ষেত্রে এমন হতে দেখা যায়। অবশেষে Regards/Thanks লিখে নিচের লাইনে আপনার নামের প্রথম অংশ লিখে দিন।

১০) এবার আপনি অন্য কনট্রাক্টরদের বিডকৃত মুল্যের দিকে এবং ক্লায়েন্টের বাজেটের দিকে তাকান, আপনার থেকে স্কিলড এবং অভিজ্ঞ কেউ বিড করে থাকলে তাদের  থেকে যথা সম্ভব কমে বিড করুন এবং ক্লায়েন্টকেও  বলে দিন যেহেতু আপনি Elance এ নতুন তাই এই মূহুর্তে আপনি কম রেটে কাজ করবেন এবং কাজ পাওয়াটাই আপনার কাছে মূখ্য বিষয়। অন্য বিডকারিদের প্রোফাইল লিঙ্ক এবং গড়, সব্বোচ্চ ও সবনিম্ন বিডকৃত অর্থের পরিমান দেখতে পাবেন Job Description এর একবারে শেষে নিচের ছবির মত।
১১) Hourly কাজের ক্ষেত্রে আপনি কত ঘ্ন্টায় কাজটি করতে পারবেন টা দিতে হবে। Ongoing Job এর ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টের দেয়া Duration যা পাবেন তা বসিয়ে দিন। এটি পাবেন Job Description শুরুর পূর্বেই Job Title এর ঠিক পরে।
১২) ক্লায়েন্ট তার বাজেট সম্মন্ধে Not Sure থাকলে এবং আপনি এ বিষয়ে  কিছু না বোঝলে Will Submit Amount Later চেকবক্সে চেক করতে পারেন সে ক্ষেত্রে আপনি Proposal তার বাজেটটি জানানোর জন্য প্রশ্ন করেতে পারেন।

১৩) অনেক কায়েন্টই Elance এ নতুন দের তাদের জবে Proposal দেয়ার জন্য আমন্ত্রন জানায়, সে ক্ষেত্রে আপনি একটি অতিরিক্ত লাইনে যোগ করুন Proposal এর শুরুতেই Thank you for inviting me to your job!.


মনে রাখার কিছু বিষয়ঃ

  • সাধারণত যে সকল কাজ তুলনামূলকভাবে একটু কঠিন এবং যে সকল কাজে কম বিড পড়ে, সেধরনের কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে
  • বলাই বাহুল্য এর কাজ করতে ইংরেজীতে পারদর্শী হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণঅন্তত প্রজেক্টের চাহিদা বুঝা এবং সে অনুযায়ী ক্লায়েন্টের সাথে সাবলীলভাবে যোগাযোগ করার ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন
  • নতুন কাজে বেশি বিড করুনএকটা নতুন জব পোস্ট হওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যে বিড করতে পারলে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকেবেশিরভাগ সময় ক্লায়েন্ট প্রথম কয়েকজনের মধ্যেই কাউকে মেসেজ দেই অথবা যোগাযোগের জন্য ডাকে
  • সুন্দর, সাধারণ এবং সংক্ষিপ্ত Proposal লিখুনক্লায়েন্টের চাহিদাগুলো ভালোভাবে পড়ুন এবং চাহিদা অনুসারে Proposal লিখতে চেষ্টা করুনকেন আপনি এই কাজের উপযোগী, কেন আপনাকে ক্লায়েন্ট নিয়োগ করবে সে কথা পরিষ্কার করে লিখুনব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যম ব্যাবহার করবেন না
  • বাংলাদেশ সময় রাত ৭টা থেকে ভোর ৫টা পযন্ত প্রজেক্টে Proposal জমা দেয়ার চেষ্টা করুন। কারন এই সময়ে বেশি জব পোস্ট হয়ে থাকে (যেহেতু পশ্চিমা দেশগুলোর অফিস আওয়ার তখন শুরু হয়)।



লেখক - মৃণাল কান্তি রায়